ইআইআইএন: 115349
ভিক্টোরিয়া ভবন

ভিক্টোরিয়া ভবন

বিদ্যালয় প্রাঙ্গন

বিদ্যালয় প্রাঙ্গন

বিদ্যালয় প্রাঙ্গন

বিদ্যালয় প্রাঙ্গন

প্রধান ফটক

প্রধান ফটক

বিদ্যালয় প্রাঙ্গন

বিদ্যালয় প্রাঙ্গন

একাডেমিক ভবন

একাডেমিক ভবন

আইসিটি ভবন

আইসিটি ভবন

বিদ্যালয়ের শহীদ মিনার

বিদ্যালয়ের শহীদ মিনার

2108
শিক্ষার্থী
0
শিক্ষক
0
স্টাফ
1
বছরের অভিজ্ঞতা
নোটিশ বোর্ড সকল নোটিশ দেখুন
  • কোনো নোটিশ পাওয়া যায়নি।
বাণী ও শুভেচ্ছা
মোছা: জেসমিন আরা খাতুন
মোছা: জেসমিন আরা খাতুন
প্রধান শিক্ষক
একটি সভ্য জাতি বিনির্মানে শিক্ষার বিকল্প নেই। শিক্ষার রস ও মার্ধুয নিয়ে প্রতিটি মানুষ যখন নিজেকে সঠিক কাজে উৎর্সগ করে তখন জাতির কল্যাণ নিশ্চিত হয়। আবা...
আরো দেখুন
লুৎফুন নাহার
লুৎফুন নাহার
জেলা প্রশাসক
চুয়াডাঙ্গা জেলা তথ্য বাতায়নে স্বাগতম। সভ্যতার ক্রমবিকাশ, শাসন ব্যবস্থার বিবর্তন এবং আধুনিক ধ্যান-ধারণার মাধ্যমে জনগণের দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছে দেবার সার্ব...
আরো দেখুন
ফটো গ্যালারি
বিদ্যালয়ের শহীদ মিনার
আইসিটি ভবন
একাডেমিক ভবন
বিদ্যালয় প্রাঙ্গন
প্রধান ফটক
বিদ্যালয় প্রাঙ্গন
ভিক্টোরিয়া ভবন
আরো দেখুন
প্রতিষ্ঠানের সম্পর্কে
Logo
ভিক্টোরিয়া জুবিলি সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়

ভিক্টোরিয়া জুবিলি সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় (সংক্ষেপে ভি. জে. সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়) চুয়াডাঙ্গা জেলার একটি ঐতিহ্যবাহী বিদ্যালয়।[৬][৭] ১৮৮০ সালে এই বিদ্যালয়টি চুয়াডাঙ্গার বিদ্যোৎসাহী জমিদার আবুল হোসেন জোয়ার্দার কর্তৃক চুয়াডাঙ্গা সদরে প্রতিষ্ঠিত হয়। প্রতিষ্ঠার সময় বিদ্যালয়ের নাম ছিল এস,ই,স্কুল। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় বিদ্যালয়টিতে মুক্তিবাহিনীর ট্রেনিং দেওয়া হতো। বিদ্যালয়টি চুয়াডাঙ্গা জেলার মাথাভাঙ্গা নদীর তীরে অবস্থিত। ২০১১ সালে স্কুলটির শ্রেণীর কার্যক্রম প্রভাতী ও দিবা এই দুই শিফটে বিভক্ত হয়। স্কুলটিতে ৩য় থেকে ১০ম শ্রেণী পর্যন্ত শিক্ষা দেয়া হয়।

স্থানীয় বিদ্যোৎসাহী জমিদার আবুল হোসেন জোয়ার্দ্দার সাহেব ১৮৮০ সালে এই বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠা করেন। প্রতিষ্ঠার সময় এই বিদ্যালয়ের নাম রাখা হয় এস.ই.স্কুল ।[১] পরবর্তীতে এই বিদ্যালয়টি এইচ.ই.স্কুলে উন্নীত হয়। আবুল হোসেন জোয়ার্দ্দার বিদ্যালয়ের জন্য সাত একর জমি দান করেছিলেন। তিনিই ছিলেন বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা প্রধান শিক্ষক। এ ব্যাপারে প্রচলিত আছে:- "জ্ঞানের আলো জ্বালাতে হেথায় সকলের ঘরে ঘরে আবুল হোসেন জোয়ার্দ্দার বিদ্যালয় গড়েন চুয়াডাঙ্গা শহরে"। শুরুতে কারা আবুল হোসেন জোয়ার্দ্দারের সহকর্মী ছিলেন, কতজন ছাত্র নিয়ে বিদ্যালয়টি চালু হয়েছিল, সেই ইতিহাস কালের জানা যায় নি।[৮]

আবুল হোসেন জোয়ার্দ্দারের পরবর্তীতে জনাব মন্মথনাথ গুই এই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব গ্রহণ করেন এবং বিদ্যালয়ের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। ১৮৮৭ সালের ১৬ই ফেব্রুয়ারী তৎকালীন ইংল্যান্ডের রাণী ভিক্টোরিয়া শাসনের রজত জয়ন্তী উপলক্ষে এই বিদ্যালয়ের নামকরণ করা হয় ভিক্টোরিয়া জুবিলি এইচ,ই,স্কুল সংক্ষেপে ভি, জে, এইচ,ই,স্কুল। একই উপলক্ষে ভারতের মহারাষ্ট্র রাজ্যের মুম্বাই শহরেও একটি ভি,জে হাই স্কুল প্রতিষ্ঠিত হয়।[৮]

প্রথমে টিনের ঘরে পাঠদান শুরু হয়। পরবর্তীতে ১৯২৮ সালে পাকা দালান নির্মাণ করা হয়। বিদ্যালয়টি ১৯৭০ সালের ১লা ফেব্রুয়ারি সরকারীকরণ হয়।[৮][১] তখন থেকে এই বিদ্যালয়ের নামের সাথে সরকারি যুক্ত করা হয় অর্থাৎ ভিক্টোরিয়া জুবিলি সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় (সংক্ষেপে ভি, জে, সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়)। ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন ও ১৯৭১ সালের বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে এই বিদ্যালয়ের ছাত্রদের সক্রিয় অংশগ্রহণ চুয়াডাঙ্গা জেলার ইতিহাসকে আরও সমৃদ্ধ করেছে। শিক্ষা বোর্ড (যশোর শিক্ষা বোর্ড[১]) কর্তৃক সকল ধরনের পরীক্ষায় ভালো ফলাফল অর্জন করে বিদ্যালয়টি জেলার মানুষের কাছে শ্রেষ্ঠ বিদ্যালয়ের স্বীকৃতি পেয়েছে।[৯] বিদ্যালয়টির ক্রমে ক্রমে শিক্ষার মান ও ছাত্র সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। তাই বিদ্যালয়ের সুনাম ধরে রাখতে ও আরো অধিক ছাত্রদের বিদ্যালয়ে লেখাপড়ার সুযোগ করে দেওয়ার জন্য ২০১১ সালে বিদ্যালয়টির শিক্ষা কার্যক্রম দুইটি শিফটে রুপান্তর করা হয়।[৮] বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠার পর থেকে বিদ্যালয়ের নামের সংক্ষিপ্ত রূপ সবার মাঝে জনপ্রিয় হয়ে উঠলে সবক্ষেত্রে বিদ্যালয়ের নামের সংক্ষিপ্ত রূপ ব্যবহার করা হতো। তবে ২০২২ সালের ৩০ মার্চ বাংলাদেশ সরকারের শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (সংক্ষেপে মাউশি) মহাপরিচালক অধ্যাপক নেহাল আহমেদ স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে ৪টি নির্দেশনা দিয়ে প্রতিষ্ঠানের সংক্ষিপ্ত নাম ব্যবহার না করে পুর্ণ নাম ব্যবহারের নির্দেশ দিলে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ বিলাল হোসেন ৩ এপ্রিল বিদ্যালয়ের সকল গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় বিদ্যালয়ের পূর্ণ নাম ও প্রতিষ্ঠাকাল লেখার কাজ সমাপ্ত করেন। তারপরও স্থানীয়রা বিদ্যালয়টিকে ভি,জে, স্কুল বলে সম্বোধন করে।
ক্যালেন্ডার
রবিসোমমঙ্গলবুধবৃহঃশুক্রশনি
জাতীয় সংগীত